নাঙ্গলকোটে ভূমিহীনদের আশ্রয়ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার :
মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া উপহার হিসেবে আশ্রয়ণ প্রকল্পের অধীনে কুমিল্লা জেলা নাঙ্গলকোট উপজেলা ভূমিহীনদের ঘর নির্মাণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গত অর্থ বছরে নাঙ্গলকোট উপজেলা ১৪৩টি ঘর বরাদ্দ আসে, ইতিমধ্যে প্রায় ৭০  পারসেন্ট কাজ শেষ  হয়েছে, বাকি কাজ চলমান রয়েছে। খোজ নিয়ে জানা যায় সকল ঘরে নিম্ম মানের ইট, বালি, পরিমানে কম সিমেন্ট  ব্যবহার করে নির্মাণ কাজ করতেছে, ঘরের ফ্লোরে ইটের সলিং ধরা থাকলেও, তা না দিয়ে, মাটির উপরে সামান্য মসল্লা দিয়া ঢালাই কাজ সম্পন্ন করতেছে,টিন ৩৬ মিলি ধরা থাকলেও, পুকুর চুরির মত ঘটনা ঘটিয়েছে, জালালাবাদের রঙ্গিন টিন ব্যবহারের মাধ্যমে, প্রতি বান জালালাবাদের টিন আর আবুল খায়েরের রঙ্গিন ৩৬মিলি টিনে দামের পার্থক্য ৩০০০ হাজার টাকা।
নাঙ্গলকোট উপজেলায়  প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ন প্রকল্পের অনিয়ম ও দূর্ণীতী, স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে  হরিলুঠ চলছে দেখার যেন কেউ নেই। স্বয়ং প্রশাসনের লোকেরাই এর সাথে জড়িত।
আশ্রয়ন প্রকল্পের কাজের সাথে সম্পৃক্ত ও সকল মালামাল সররাহকারী ঠিকাদার  ইউ এন ও  লামইয়া সাইফুলের স্বামী আবির হক, নাঙ্গলকোট পাটোয়ারী জেনারেল হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবায়নের নিমিত্তে গৃহহীনদের ঘর প্রদানের লক্ষে নাঙ্গলকোটে ১৪৩টি বরাদ্দপ্রাপ্ত ঘরের মধ্যে ঢালুয়া(১৬ টি),জোড্ডা পশ্চিম -২৩টি, হেসাখাল-১৫ টি,বাঙ্গড্ডা-১১, মৌকরা-১৫ টি, রায়কোট দক্ষিণ-১৬ টি, দৌলখাড়-৮ টি এবং পেরিয়া- ৩৯ টি ঘরের নির্মাণ কাজ চলমান আছে।
মৌকরা ইউনিয়নের চাঁন্দগড়া গ্রামে মসজিদ  সংলগ্ন গণ কবরস্থানকে ঢালাই করে ঘর নির্মাণ করা হয়।
ঢালুয়া ইউনিয়নের মন্নারা ও গণ কবরস্থানের উপর পাঁচটি ঘর নির্মাণ করেন। আরও আটটি
ঘর নির্মাণাধীন রয়েছে। পাঁচটি ঘর উদ্বোধন করা হইলেও যাদের নামে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে কবরস্থানের কারণে
ভয়ে কেউ ওই সব ঘরে অবস্থান করে না।
আশ্রয়ন প্রকল্পের সাথে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন জড়িত,
তাই আওয়ামীলীগ পরিবারের সকলকেই এই দূর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার  হতে হবে।
যেখানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং তার স্বামী ও তার বন্ধু সাইফুল ইসলাম জড়িত সেখানে অনিয়ম ও দুর্নীতি হলে দেখবে কে?
সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে তদন্ত করলে আরো ব্যাপক দূর্নীতি ও অনিয়ম পাওয়া যাবে বলে এলাকার অনেক মানুষ মনে করেন।
এ বিষয়ে নির্বাহী অফিসার লামইয়া সাইফুলের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে
তিনি বলেন এই কাজের সাথে আমার স্বামী জড়িত নাই। আমি যাকে দিয়ে কাজ করাই সে যে দলেরই হোক তাতে আপনাদের সমস্যা কি।
এই বিষয়ে সাইফুলের মুঠোফোনে ফোনে বারবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

প্রকাশনায় :-

মো: জাহাঙ্গীর আলম

যোগাযোগ:ফোন নাম্বার-০১৭১৭৩৭৮৪৮০ ইমেল:-jahangirnews1@gmail.com-dailynangalkot@gmail.com