নাঙ্গলকোটে জমির মালিকানা নিয়ে বসত ঘর ভাংচুরের অভিযোগ 

মো. জাহাঙ্গীর আলম,

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে বাড়ির জায়গার মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বে একপক্ষের বাড়ি ঘর ভাংচুর করার অভিযোগ উঠেছে শহিদুল ইসলাম ও জালাল আহম্মেদ গংদের বিরুদ্ধে। অপরদিকে শহিদুল ইসলাম ও জালাল আহম্মেদের অভিযোগ এধরণের ঘটনাই করেননি তারা। মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার ঢালুয়া ইউপির কিনারা গ্রামের মজুমদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে উভয় পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বাড়ির জায়গার মালিকানা নিয়ে কিনারা গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে হাফেজ আহম্মেদের সঙ্গে পাশ্ববর্তী বাড়ির নুর মোহাম্মদের ছেলে শিপন ও সুমনদের বিরোধ চলছে। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে এলাকায় বেশ কয়েক বার সালিশ বৈঠক হয়। সালিশ বৈঠক গতকাল বুধবার র্সাবে আমিন দিয়ে উভয় পক্ষের জায়গা পরিমাপ করে স্ব স্ব জনকে জায়গা বুঝিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু জায়গা পরিমাপের আগে মঙ্গলবার বিকেলে শিপন ও সুমন তার মামা শহিদুল ইসলাম ও জালাল আহম্মেদ সহ ১০ জনের একটি গ্রুপ নিয়ে হাফেজ আহম্মেদের বসত ঘর ভাংচুর করে।
এ বিষয়ে হাফেজ আহম্মেদ জানান, শিপন ও সুমন তার মামা শহিদুল ইসলাম ও জালাল আহম্মেদ সহ ১০ জনের একটি গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র স্বস্ত দিয়ে আমার বসত ঘর ভাংচুর করে। এ সময় ঘরে নগদ ২ লাখ ১৫ হাজার টাকা ও স্বর্ণ অলংকার লুটপাট করে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জালাল আহম্মেদ বলেন, হাফেজ আহম্মেদ আমার বোনের জামাইদের বাড়ির জায়গা দখল করে রেখে। এ নিয়ে এলাকায় বেশ কয়েক বার সালিশ বৈঠক হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয় বুধবার ওই জায়গা পরিমাপ করে স্ব স্ব জনকে বুঝিয়ে দিতে। কিন্তু তারা জায়গা বুঝিয়ে না দিয়ে উল্টো আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।
এ ব্যাপারে নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুন নুর জানান, উভয় পক্ষে থানায় অভিযোগ সূত্র। অভিযোগের আলোকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রকাশনায় :-

মো: জাহাঙ্গীর আলম